Khabor Ekhon
সত্যতা যাচাই করে তবেই খবর খবরের ভেতরের খবর
Breaking News
Browsing Category

ধৰ্ম কর্ম

দোল পূর্ণিমা ২০২৬, ন্যাড়াপোড়ার দিনেই শুরু পবিত্র তিথি, বাংলায় উৎসবের রঙ ছড়াবে আজ থেকেই!

বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে আজ থেকেই শুরু হয়ে গেল দোল পূর্ণিমার পবিত্র তিথি। বাংলার ঘরে ঘরে আজ সন্ধ্যায় মাতোয়ারা হয়ে উঠবে ন্যাড়াপোড়া (হোলিকা দহন) উৎসবে, আর এই দিনেই পড়ছে ফাল্গুনী পূর্ণিমার শুভ লগ্ন। পঞ্জিকা অনুসারে, দোল পূর্ণিমা ২০২৬-এর তিথি আজ সোমবার বিকেল থেকে শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত। এই সময়কালে অশুভ শক্তির নাশ এবং শুভের বিজয়ের প্রতীক হিসেবে হোলিকা দহনের মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হচ্ছে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে, পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়েছে আজ ২ মার্চ (১৭ ফাল্গুন) বিকেল ৫টা ৫৭ মিনিটে। এই…

ধর্মের ছুঁতমার্গ,লোকাচারের বিপক্ষে গিয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাবনায় শান্তিনিকেতনের বসন্তোৎসব ভীষণভাবে আন্তরিক ও সহজ

মনিপুষ্পক খাঁ: বসন্ত উৎসব মানেই যে জায়গায় নাম কথায় কথায় ভেসে আসে তা শান্তিনিকেতন। দোলের দিন হাজার হাজার বাঙালির ঠিকানা শান্তিনিকেতন। হোলির দিনে যখন দিকে দিকে উদ্দামতা, ভোজপুরি গানে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে নৃত্য, শান্তিনিকেতনে তখন সুশৃঙ্খল আনন্দগান ও নাচের অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই যেন উৎসবের চেহারা চারিধারে। বেজে ওঠে সেই চেনা গান - " ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল " রবীন্দ্রনাথ তাঁর"বসন্ত ও বর্ষা" নিবন্ধে লিখেছিলেন বসন্ত উদাসীন, গৃহত্যাগী। বসন্ত আমাদের মনকে চারিধারে বিক্ষিপ্ত করিয়া দেয়, বসন্তে আমাদের মন…

সম্প্রীতির রঙে সাজছে বাংলা, সোমবার ইনডোরে মেগা হোলি উৎসব

অশান্তি আর বিভাজনের রাজনীতির মুখে দাঁড়িয়ে ফের একবার সর্বধর্ম সমন্বয়ের ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২ মার্চ, সোমবার দোলযাত্রা ও হোলি উপলক্ষে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত হতে চলেছে এক বিশাল ‘মিলন উৎসব’। ভেন্যু— শহরের ঐতিহ্যবাহী নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম। যেখানে রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে মিলেমিশে একাকার হবে সব ধর্ম ও সব সম্প্রদায়ের মানুষ।              মিলনের মহামঞ্চ বিজেপির বিভাজনমূলক রাজনীতির বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।…

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রথম দোল, বিদেশি পর্যটকদের আশায় ব্যবসায়ীরা উচ্ছ্বসিত

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে এবার প্রথম দোল উৎসব। মায়াপুরের মতো বিদেশি ভক্তদের ভিড় জমবে বলে আশা কর্তৃপক্ষ ও হোটেলিয়ারদের। মন্দির ট্রাস্টি কমিটির সদস্য রাধারমণ দাস বলেন, “দোলের দিন বিশেষ পুজো, অভিষেক, ভোগের আয়োজন। বিদেশি ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ১৫ হাজারের বেশি পর্যটক ঘুরে গিয়েছেন।” জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাকে নতুন পোশাক, ফুলে সাজানো হবে। আবিরে রাঙানো হবে বিগ্রহ। বিকেলে অভিষেক, সন্ধ্যায় বিশেষ পুজো ও ভোগ। মায়াপুর থেকে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। যোগাযোগ সহজ হওয়ায় বিদেশি পুণ্যার্থীরা দিঘায় আসবেন। হোটেলিয়ার্স…

রামকৃষ্ণ দেবের জন্মতিথি বেলুড়ে ভক্তদের সমাগম

সাড়ম্বরে পালিত হল ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ১৯১তম জন্মতিথি। বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে বেলুড় মঠে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোর সাড়ে চারটেয় শ্রীশ্রীঠাকুরের মন্দিরে মঙ্গলারতির মধ্যে দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। এরপর দিনভর চলে নানা অনুষ্ঠান। বেলুড়ে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথি উপলক্ষে উষাকীর্তন, বেদপাঠ, স্তবগান, ভজন, ভক্তিগীতি, গীতিআলেখ্য, তালবাদ্য, যন্ত্রসঙ্গীত, ধর্মসভার আয়োজন করা হয়। এই বিশেষ দিনে ফি বছরই বেলুড় মঠে প্রচুর ভক্তসমাগম হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দেশ-বিদেশ থেকে এসেছিলেন মানুষজন। ভক্তদের…

জ্যোতিষশাস্ত্র এবং সনাতন সংস্কৃতিতে সূর্যোদয়ের আগে স্নান (যাকে ব্রাহ্ম মুহূর্ত স্নান বলা হয়) এবং সূর্য প্রণামকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে মনে…

১. রবি বা সূর্যের প্রভাব বৃদ্ধি জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, সূর্য হল সকল গ্রহের রাজা এবং এটি মানুষের আত্মা, সম্মান, আত্মবিশ্বাস ও জীবনীশক্তির কারক। সূর্যোদয়ের আগে স্নান সেরে উদীয়মান সূর্যকে প্রণাম করলে কুণ্ডলীতে রবি গ্রহ শক্তিশালী হয়, যা সামাজিক প্রতিষ্ঠা ও সরকারি কাজে সাফল্য পেতে সাহায্য করে। ২. শারীরিক ও মানসিক শক্তি তেজ ও কান্তি: নিয়মিত সূর্য প্রণাম করলে শরীরে তেজ বৃদ্ধি পায় এবং মুখমণ্ডলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা আসে। মনঃসংযোগ: ভোরে পরিবেশ শান্ত থাকে, এই সময়ে প্রণাম ও ধ্যান করলে একাগ্রতা বা কনসেন্ট্রেশন বাড়ে। ৩.…

‘ওম’ (ॐ) বা ‘ওঙ্কার’ শব্দের মূল তাৎপর্য

খবরএখন:‘ওম’ (ॐ) বা ‘ওঙ্কার’ কেবল একটি শব্দ নয়, এটি সনাতন ধর্মে সৃষ্টির আদি ধ্বনি বা ‘ব্রহ্মনাদ’ হিসেবে স্বীকৃত। এর তাৎপর্য আধ্যাত্মিক, বৈজ্ঞানিক এবং দার্শনিক—তিন দিক থেকেই অত্যন্ত গভীর। নিচে ওম মন্ত্রের মূল তাৎপর্যগুলো আলোচনা করা হল: ১. সৃষ্টির আদি ধ্বনি শাস্ত্র মতে, মহাবিশ্ব সৃষ্টির আগে যখন কোনও শব্দ ছিল না, তখন প্রথম যে কম্পন বা ধ্বনির উৎপত্তি হয়েছিল, তা হল ‘ওম’। একে ‘অক্ষর ব্রহ্ম’ বলা হয়। অর্থাৎ, এই এক অক্ষরের মধ্যেই সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের সারবত্তা লুকিয়ে আছে। ২. তিনটি অবস্থার মিলন (অ-উ-ম) ‘ওম’ শব্দটিকে…

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

E-Paper