Khabor Ekhon
সত্যতা যাচাই করে তবেই খবর খবরের ভেতরের খবর
Breaking News

জেলমুক্তির পর বেহালা পশ্চিমে প্রথম পদার্পণ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

0 678,223

দীর্ঘ তিন বছর তিন মাসেরও বেশি সময় কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর আজ প্রথম নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বেহালা পশ্চিমে পা রাখলেন প্রাক্তন তৃণমূল মহাসচিব ও শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে নাকতলার নিজস্ব বাসভবন থেকে বেরিয়ে বেহালায় পৌঁছন তিনি। বেলা পৌনে একটা নাগাদ ম্যান্টন এলাকায় নিজের বিধায়ক কার্যালয়ের সামনে এসে অনুগামীদের সঙ্গে মিলিত হন এবং সংক্ষিপ্ত কথোপকথনে অংশ নেন।
ভোটে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্থ স্পষ্টভাবে জানান, “আমি ভোটে দাঁড়াব কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে দল। তার পর আমার মতামত। তবে এটুকু বলতে পারি, আমি দলের সঙ্গেই আছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “বেহালা পশ্চিমের মানুষের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। পাঁচবার তাঁরা আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করে বিধানসভায় পাঠিয়েছেন। সেই কৃতজ্ঞতা আমি সবসময় মনে রাখব। আমি এখানে এসেছি বলতে—আমি তোমাদেরই লোক।”
২০০১ সালে বহুজাতিক সংস্থার চাকরি ছেড়ে প্রথমবার তৃণমূলের টিকিটে বেহালা পশ্চিম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সিপিএমের দাপুটে নেতা নির্মল মুখোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন পার্থ। ২০০৬ সালে তৃণমূলের ভরাডুবির মধ্যেও তিনি জয়ী হন এবং বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব পান। এরপর ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ সালেও একই কেন্দ্র থেকে বিজয়ী হয়ে পাঁচবারের বিধায়ক হন। কিন্তু ২০২২ সালের ২২ জুলাই গভীর রাতে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার হন তিনি। তারপর আর বিধানসভা কেন্দ্রে ফিরতে পারেননি।
জেলমুক্তির পর গত নভেম্বরে বাড়ি ফিরলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে এক মাসেরও বেশি সময় কাটাতে হয়। সম্প্রতি সুস্থ হয়ে ওঠার পর তিনি জানিয়েছিলেন, শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ হলে ভোটারদের ধন্যবাদ জানাতে বিধানসভা এলাকায় যাবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ভাষা দিবসের দিনটিকেই বেছে নেন পার্থ।
কার্যালয়ের সামনে অনুগামীদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁদের অনুরোধে গাড়িতে বসেই চা পান করেন। পরে গাড়িতে করে বিধানসভা এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কিছুক্ষণ ঘুরে নাকতলার উদ্দেশে রওনা দেন। উল্লেখ্য, এই সফরে বেহালা পশ্চিমের তৃণমূলের কোনও কাউন্সিলরকে তাঁর সঙ্গে দেখা যায়নি।
রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে যে, দুর্নীতির অভিযোগ এবং দীর্ঘ কারাবাসের পটভূমিতে তৃণমূল নেতৃত্ব পার্থকে আবার টিকিট দিতে অনীহা প্রকাশ করতে পারে। তবে পার্থ নিজে দলের প্রতি আনুগত্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করে সিদ্ধান্ত দলের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সফর রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

Note :- ক্রমাগত অন্যান্য আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

PostBodyBottom

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

E-Paper