AB Live News
প্রেমিকার সঙ্গে মোমো, স্ত্রী দেখে ফেলতেই গাড়িই হল পালানোর রাস্তা
অমিত দাস : মোমো খেতে বেরিয়েছিলেন স্বামী। সঙ্গী ছিলেন অন্য এক মহিলা। আচমকাই সেই দৃশ্য চোখে পড়ে স্ত্রীর। তারপরই শুরু বচসা। অভিযোগ, স্ত্রীকে এড়িয়ে পালাতে গিয়ে তাঁকে গাড়ির বনেটে তুলে প্রায় ১০০ মিটার গাড়ি চালিয়ে দেন স্বামী! উত্তরপ্রদেশের মেরঠের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় মেরঠের লোহিয়া নগর থানা এলাকার কাশীরাম কলোনি সংলগ্ন এলাকায় ময়ঙ্ক নামে ওই ব্যক্তি এক মহিলা, মাহির সঙ্গে গাড়িতে বসে মোমো খাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। সেই সময় সেখানে পৌঁছে স্বামীকে অন্য মহিলার সঙ্গে দেখতে পান স্ত্রী সুনীতা। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়।অভিযোগ, সুনীতা গাড়ির জানলায় ধাক্কা দিয়ে স্বামীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে গাড়ির দরজা লক করে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ময়ঙ্ক। কিন্তু স্ত্রী গাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত তিনি গাড়ির বনেটে উঠে পড়েন বলে অভিযোগ।এরপরই ঘটে আরও ভয়ঙ্কর ঘটনা। অভিযোগ, স্ত্রী বনেটে থাকা অবস্থাতেই গাড়ি চালিয়ে দেন ময়ঙ্ক। প্রায় ১০০ মিটার তাঁকে বনেটে নিয়ে গাড়ি ছুটতে থাকে। সেই সময় সুনীতা চিৎকার করে সাহায্যের জন্য স্থানীয়দের ডাকতে থাকেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন জড়ো হলে শেষ পর্যন্ত গাড়ি থামাতে বাধ্য হন ময়ঙ্ক।ঘটনার পর স্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন সুনীতা। তাঁর অভিযোগ, স্বামী তাঁকে মারধর করেছেন এবং পণের জন্যও নির্যাতন করেছেন। পাশাপাশি অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক রাখার অভিযোগও তোলা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার ভিডিয়ো সামনে এসেছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়ঙ্কের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারাতেও মামলা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযুক্ত ময়ঙ্ক ও তাঁর সঙ্গে থাকা মাহীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। দাম্পত্য বিবাদের জেরে যে পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ জায়গায় পৌঁছতে পারে, মেরঠের এই ঘটনা ফের সেই প্রশ্নই সামনে এনে দিয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

