AB Live News
আইআইটি-তে পাঠরত ছেলের ফর্ম তুললেন বৃদ্ধ বাবা

ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের বিভিন্ন ক্যাম্প। সোমবার সেই ক্যাম্পেই যান চুঁচুড়ায় রথতলা এলাকার বাসিন্দা অলোক মুখোপাধ্যায়। তাঁর আইআইটি-তে পাঠরত এমটেক ছেলে অর্ণব মুখোপাধ্যায়ের ফর্ম জমা দিতে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শাসকদলের অনেকেরই বক্তব্য, বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার জন্য সরকারের এই আর্থিক সাহায্য কাজে লাগবে। অন্যদিকে এই বিষয়কে কেন্দ্র করে খোঁচা দিতেও ছাড়েনি বিজেপি নেতা ও কর্মীরা।
রবিবার যুবসাথী প্রকল্পের লাইনে ফর্ম তুলতে দেখা গেছিল এক গবেষক যুবককে। এরপর সোমবার দ্বিতীয় দিনে দেখা গেল এক বৃদ্ধ বাবা আইআইটি-তে পাঠরত এমটেক পড়ুয়ার জন্য ফর্ম তুললেন। জানা যায় অলোকবাবু একটি আধা সরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন। ছেলে ব্যান্ডেল ডন বস্কো স্কুল পড়াশোনা করে মগরার এক বেসরকারি কলেজ থেকে বিটেক পাশ করেন। বর্তমানে অসমের গুয়াহাটি আইআইটিতে এমটেক করছেন।
এদিন যুব সাথী রেজিস্ট্রেশন শিবির থেকে ছেলের জন্য ফর্ম সংগ্রহ করতে আসেন। তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ছেলের ২০২৭-এই এই কোর্স শেষ হবে। এরপর বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার জন্যে কাজে লাগবে এই যুবসাথী। বর্তমানে তাঁর ছেলে সাড়ে ১২ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড পান। তাই তাঁর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে যে এই টাকা ছেলে পাবে তো!
এই প্রশ্নের উত্তরে চুঁচুড়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ঝন্টু বিশ্বাস জানান, এই প্রকল্পের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ বলা হয়েছে। এটা যুগান্তকারী একটা প্রকল্প। তাই সকলেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে।
পাল্টা জবাবে বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেন, রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প ভালো। তবে উচ্চশিক্ষিত যুবক-যুবতীদের লাইন দেখে প্রত্যেকেই অবাক হয়ে যাচ্ছি। মানে পনেরো বছর ধরে যুব সমাজকে বেকার করে রেখেছে এই সরকার। এটাই তার প্রমাণ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon Web Desk , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon Web Desk হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

