AB Live News
পেশোয়ারে মার্কিন কনস্যুলেট বন্ধের পথে ট্রাম্প প্রশাসন
ওয়াশিংটন: দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে পাকিস্তানের পেশোয়ারে অবস্থিত তাদের কনস্যুলেটটি পাকাপাকিভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আফগান সীমান্তের নিকটতম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কূটনৈতিক মিশনটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
পেশোয়ারে অবস্থিত এই কনস্যুলেটটি ছিল আফগান সীমান্তের সবচেয়ে কাছের মার্কিন কূটনৈতিক দপ্তর। ২০০১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন আগ্রাসন ও ‘সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধ’ শুরু হওয়ার পর থেকে এই মিশনটি আমেরিকার জন্য অত্যন্ত কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে আসছিল। মূলত আফগান সীমান্তবর্তী উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে নজরদারি চালানো এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে এই কনস্যুলেটটি ছিল পেন্টাগন ও সিআইএ-র অন্যতম প্রধান ভরসা।
হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, খরচ সংকোচন এবং ওই অঞ্চলে পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই চরম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে পেশোয়ারে এই বিশাল মিশন চালানোর উপযোগিতা কমেছে। তবে কূটনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার উত্তরোত্তর শীতল হতে থাকা সম্পর্কের কারণেই এই ‘কূটনৈতিক পশ্চাদপসরণ’। পেশোয়ারের কাজ এখন থেকে ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে বলে জানা গিয়েছে।
আফগান শান্তি আলোচনা যখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, তখন সীমান্তের এত কাছের একটি দপ্তর বন্ধ হয়ে যাওয়া গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনীকে কিছুটা অসুবিধায় ফেলতে পারে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনো কড়া প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনা যে দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন প্রভাব হ্রাসের একটি ইঙ্গিত, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

