Khabor Ekhon
সত্যতা যাচাই করে তবেই খবর খবরের ভেতরের খবর
Breaking News

বাবার মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র, সামনে আতঙ্কিত মেয়ে! বারুইপুরে চাঞ্চল্য

0 4,420

শ্রীতমা ব্যানার্জী :: রাতের অন্ধকারে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন বাবা। আচমকাই পথ আটকে দাঁড়াল দুই ব্যক্তি। অভিযোগ, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগ্নেয়াস্ত্র বার করে তাঁর মাথায় ঠেকানো হয়। আতঙ্কে বাবার সঙ্গে চিৎকার করে ওঠে মেয়েও। চিৎকার শুনে স্থানীয়েরা এগিয়ে আসতেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তেরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের হাড়দহ এলাকার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগকারী সিরাজুল চাপড়াশী নিজেকে বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, রবিবার রাতে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় নাজিম মোল্লা এবং শফিক ফকির নামে দুই ব্যক্তি তাঁদের পথ আটকান। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র বার করে মাথায় ঠেকানো হয় বলে অভিযোগ। প্রাণের আশঙ্কায় তিনি এবং তাঁর মেয়ে চিৎকার শুরু করেন। সেই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে দু’জন সেখান থেকে চলে যায় বলে দাবি সিরাজুলের। ঘটনার পর বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। সিরাজুলের আরও দাবি, বিজেপি করার কারণে এর আগেও তাঁকে দু’বার খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, হাড়দহ অঞ্চলের পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী সিরিফ হোসেন লস্কর একটি চক্র চালান। সেই বিষয়ে সরব হওয়ার কারণেই তাঁকে নিশানা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁর। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও একই প্রশ্ন তুলেছে।তবে অভিযুক্ত নাজিম মোল্লা ও শফিক ফকিরের কোনও রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অভিযোগের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগের দাবিও তদন্তসাপেক্ষ।ঘটনার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বারুইপুর থানার পুলিশ। খুনের চেষ্টার অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার নেপথ্যে আসল কারণ কী, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। মেয়ের চোখের সামনে বাবার মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকানোর অভিযোগ ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এখন পুলিশের তদন্তেই স্পষ্ট হওয়ার অপেক্ষা—ঠিক কী ঘটেছিল সেই রাতে এবং এই ঘটনার পিছনে ব্যক্তিগত না কি অন্য কোনও কারণ রয়েছে।

Note :- ক্রমাগত অন্যান্য আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

PostBodyBottom

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

E-Paper