Khabor Ekhon
সত্যতা যাচাই করে তবেই খবর খবরের ভেতরের খবর
Breaking News

পাটুলিতে চিকিৎসকের অবহেলায় অসুস্থ বৃদ্ধের মৃত্যু, স্থানীয় বিক্ষোভ, পুলিশে অভিযোগ

0 567,919

দক্ষিণ কলকাতার পাটুলি এলাকায় ঘটে গেল একটি মর্মান্তিক ঘটনা। রাস্তায় অসুস্থ হয়ে পড়া এক বৃদ্ধকে (বয়স প্রায় ৭৩ বছর) দেখতে না যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চিকিৎসক ডাঃ অনিমেষ করের বিরুদ্ধে। ফলে বৃদ্ধকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে এবং চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে বিক্ষোভও হয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় পাটুলি এলাকায় রাস্তায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই বৃদ্ধ। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন এবং কাছাকাছি চেম্বারে থাকা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ অনিমেষ করকে খবর দেন। অভিযোগ, চিকিৎসক ঘটনাস্থলে যেতে রাজি হননি। তিনি জানিয়ে দেন যে চেম্বার ছেড়ে যাওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় এবং রোগীকে চেম্বারে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন।
স্থানীয়রা দাবি করেন, এতে সময় নষ্ট হয়েছে। অবশেষে বৃদ্ধকে গাঙ্গুলিবাগান এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে (গাঙ্গুলিবাগানের কাছাকাছি) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম ডাঃ অনিমেষ কর। তিনি একজন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ। ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে তিনি যুক্ত। পাটুলি এলাকায় প্রায় ২০ বছর ধরে চেম্বার চালাচ্ছেন।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। কয়েকজন পাটুলি থানায় গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন এবং চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ করেন। তাঁদের দাবি, রাস্তায় অসুস্থ মানুষকে দেখার দায়িত্ব চিকিৎসকের ছিল, কিন্তু তিনি সময়মতো সাড়া দেননি।
চিকিৎসকের পক্ষ থেকে (তাঁর এক সহযোগীর মাধ্যমে) জানানো হয়েছে যে রোগীকে চেম্বারে নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল, কিন্তু সেই প্রস্তাব মানা হয়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়নি বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়নি। তবে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এই ঘটনা চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ক, জরুরি চিকিৎসার দায়িত্ব এবং চিকিৎসা অবহেলার প্রসঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। কলকাতার মতো শহরে এ ধরনের ঘটনা সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

Note :- ক্রমাগত অন্যান্য আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

PostBodyBottom

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

E-Paper