AB Live News
গ্ল্যামারের আড়ালে কামনার জাল, জারিনের পর যে তিন সুন্দরীর বয়ানে কেঁপেছিল বলিউড
রূপসা দাস: জারিন খানের তিক্ত অভিজ্ঞতা নতুন কিছু নয়। এর আগেও একাধিক প্রথম সারির অভিনেত্রী শ্যুটিং ফ্লোর বা অডিশনের নামে হওয়া যৌন হেনস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন।
১. সুরভীন চাওলা: দক্ষিণী সিনেমার সেই কুৎসিত প্রস্তাব
‘হেট স্টোরি ২’ খ্যাত অভিনেত্রী সুরভীন চাওলা একবার জানিয়েছিলেন তাঁর কাস্টিং কাউচের অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, দক্ষিণী ছবির এক নামী পরিচালক তাঁকে সরাসরি কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন। সুরভীনের বয়ান অনুযায়ী, “পরিচালক বলেছিলেন যে তিনি আমার শরীরের প্রতিটি ইঞ্চি দেখতে চান এবং আমাকে তাঁর সঙ্গে রাত কাটাতে হবে। আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে বলা হয়েছিল, ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে হলে এসব করতে হয়।” সুরভীন সেই ছবি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন।
২. রিচা চাড্ডা: ডিনারের নামে নোংরামি
বলিউডের অত্যন্ত শক্তিশালী অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা এক সাক্ষাৎকারে জানান, কেরিয়ারের শুরুর দিকে এক পরিচালক তাঁকে ডিনারে ডাকেন। রিচা যখন জিজ্ঞাসা করেন ডিনারের সময় কী আলোচনা হবে, তখন সেই পরিচালক বলেছিলেন, “খাবার তো শুধু বাহানা, আসল কাজ তো শোওয়ার ঘরে হবে।” রিচা জানান, বলিউড এমন অনেক ‘শিকারী’তে ভর্তি যারা কাজের সুযোগ দেওয়ার নাম করে মেয়েদের শরীর নিয়ে খেলতে চায়।
৩.স্বরা ভাস্কর:পরিচালকের পিছু নেওয়া
অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর জানিয়েছিলেন, একবার একটি ছবির আউটডোর শ্যুটিংয়ের সময় পরিচালক প্রতি রাতে মদ্যপ অবস্থায় তাঁর ঘরের দরজায় ধাক্কা দিতেন এবং কথা বলার অজুহাতে ভেতরে ঢুকতে চাইতেন। স্বরা বলেন, “পুরো শ্যুটিং চলাকালীন আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে থাকতাম। অন্ধকার ঘরে বা বাথরুমে যেতেও ভয় লাগত। পরে জানতে পারি, ওই পরিচালক কেবল আমাকে নয়, অন্য অনেককেও একইভাবে বিরক্ত করেছিলেন।”
কেন বারবার নারী দেহেই আটকে থাকে ক্যামেরা?
জারিন খান বা সুরভীনদের মতো অভিনেত্রীদের অভিযোগের আঙুল মূলত সেইসব পরিচালকদের দিকে, যাঁরা থ্রিলার বা ড্রামা তৈরির নামে পর্দায় স্রেফ ‘ইরোটিকা’ বা শরীরি প্রদর্শন বিক্রি করতে চান। অভিনেত্রীদের মতে, চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে সাহসী হওয়া এক বিষয়, কিন্তু কেবল ব্যবসায়িক লাভের জন্য পোশাক খুলতে বাধ্য করা বা অশালীন মন্তব্য করা মানসিক হেনস্থার শামিল।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

