AB Live News
ব্রিগেডে মোদীর মজার আবদার: দিলীপের বিয়ের মিষ্টি চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপির বিশাল সমাবেশের মঞ্চে শনিবার এক হালকা-পাতলা, কিন্তু অত্যন্ত আলোচিত মুহূর্তের সাক্ষী থাকল রাজনৈতিক মহল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে তাঁর বিয়ের মিষ্টি দাবি করলেন, আর দিলীপের মুচকি হাসির জবাবে ভোটের পর মিষ্টিমুখের প্রতিশ্রুতি এল। এই ঘটনাকে অনেকেই দিলীপের পাশে মোদীর স্পষ্ট সমর্থনের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।
বছরখানেক আগে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে ৬০ বছর বয়সে দিলীপ ঘোষ বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী রিঙ্কু মজুমদারের সঙ্গে বিয়ে করেন। মায়ের ইচ্ছা পূরণ করতে এই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে তিনি জানিয়েছিলেন। বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির অন্দরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেক নেতা-কর্মী ঘনিষ্ঠ আলোচনায় বলাবলি করেন, “দিলীপবাবুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল ছিল, এই বয়সে বিয়ে করে নিজের সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিলেন।” কেউ কেউ আবার মজা করে বলেন, “বিয়ে করলেন, কিন্তু মিষ্টি তো খাওয়ালেন না!”
শনিবার ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাষণ শেষ হওয়ার পর মঞ্চে দাঁড়িয়ে দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। হাত ধরে হালকা ছলে মোদী বলেন, “তুম তো বড়ে বদমাশ হো… শাদি কিয়া অউর মিঠাই ভি নেহি খিলায়া!” (তুমি তো বড় দুষ্টু… বিয়ে করলে, কিন্তু মিষ্টিও খাওয়ালে না!)। দিলীপ মুচকি হেসে জবাব দেন, “ভোট হয়ে যাক, তারপর মিষ্টিমুখ হবে।” কেউ কেউ বলেন, দিলীপ বলেছেন— “ভোট মিটে গেলে মিষ্টির বাক্স নিয়ে দিল্লিতে যাব।”
এই হালকা মজার আদান-প্রদান মঞ্চে উপস্থিত নেতাদের মুখে হাসি ফোটায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের ওপর দলের কিছু অংশের অসন্তোষ বা সমালোচনার মাঝে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর এই কৌতুকপূর্ণ সমর্থন একটি শক্তিশালী বার্তা। এটি বোঝায় যে দিলীপের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কোনও অভিযোগ নেই, বরং তাঁকে পাশে রেখেই এগোতে চান মোদী।
ব্রিগেড সমাবেশটি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিনের এই ছোট্ট ঘটনা দলীয় ঐক্য ও মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের বিয়ের ‘মিষ্টি’ এখন আর শুধু ব্যক্তিগত নয়— রাজনৈতিক মঞ্চেরও অংশ হয়ে উঠেছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

