AB Live News
৪ জুনের পর ‘সবকা হিসাব হবে’, হুঙ্কার শুভেন্দুর
ভোট যত এগোচ্ছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। সবং-এর সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হিসাব বুঝে নেওয়া’র বার্তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পাল্টা হুঙ্কার দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার নিজের খাসতালুক নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণের পাশাপাশি শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “৪ জুনের পর মোদীজির কথায় সবকা সাথ, সবকা বিকাশ যেমন হবে, তেমনই হবে সবকা হিসাব।”
এদিনের সভা থেকে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের নন্দীগ্রামের পরাজয়ের স্মৃতি উসকে দেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীকে ‘ভীত’ এবং ‘কোম্পানির মালিক’ বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “গতবার কোম্পানির মালিক নিজে লড়তে এসেছিলেন, আপনারা তাঁকে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছেন। এবার আর সাহস করে এই লড়াকু মাটিতে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিতে পারেননি।” এমনকি ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি যে প্রস্তুত ছিলেন, সে কথাও এদিন বুক ঠুকে দাবি করেন শিশির-পুত্র। তাঁর কথায়, “দল বলেছিল ভবানীপুরে লড়তে, আমি রাজি ছিলাম। আমার সেই সাহস আছে।”
মেদিনীপুরের আবেগ ছুঁতে এদিন ১৯৪২-এর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রসঙ্গও টানেন শুভেন্দু। ইতিহাস স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, “এই মাটি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। আমরা ৪২-এই স্বাধীন হয়ে গিয়েছিলাম।” এরপরই তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, গত পাঁচ বছরে বিজেপি কর্মীদের ওপর হওয়া পুলিশি মামলা এবং দুর্নীতির প্রতিটি ঘটনার হিসাব মেটানো হবে ৪ জুনের পর।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সবং-এর সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার হতে পারেন, আমি নই। চার তারিখ দুপুর একটা বাজার পর থেকেই ডিজে বাজবে এবং বাংলার ক্ষমতা কী তা বুঝিয়ে দেব।” দুই শিবিরের এই ‘হিসাব মেটানো’র পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতির উত্তাপ এখন থেকেই টের পাচ্ছে রাজ্য রাজনীতি। জনসভা থেকে শুভেন্দুর এই ‘হিসাব’ বুঝে নেওয়ার ডাক রাজনৈতিক মহলে বড়সড় শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

