AB Live News
“রসনার শহরে অখাদ্যের কারবার? ডেকার্স লেনে পুরসভার কড়া অভিযান”
শ্রীতমা ব্যানার্জী : ক্রেতার পাতে যে খাবার, তার পিছনে লুকিয়ে থাকতে পারে ভয়ঙ্কর অস্বাস্থ্যকর ছবি! কলকাতার জনপ্রিয় খাবারের ঠিকানাগুলিতে এবার সরাসরি হানা কলকাতা পুরসভার খাদ্যসুরক্ষা দফতরের। ডেকার্স লেন, জোড়াবাগান ও লেক মার্কেটে শনিবারের অভিযানে সামনে এল এমনই ছবি, যা দেখলে খাবার মুখে তোলার আগে দু’বার ভাবতে হবে। ডেকার্স লেনের একটি দোকানের গুদামে গিয়ে আধিকারিকদের চোখ কপালে! গামলা গামলা মাখা সন্দেশ—আর তার গায়ে ছত্রাকের আস্তরণ। যে মিষ্টি হয়তো কোনও ক্রেতার হাতে তুলে দেওয়ার জন্যই রাখা হয়েছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত জায়গা পেল ডাস্টবিনে। একের পর এক গামলা মিষ্টি সরিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। শুধু সন্দেশ নয়, চপ-কাটলেট-সহ একাধিক খাবারের নমুনাও সংগ্রহ করেছেন খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিকেরা। রান্নার উপকরণেও চলেছে কড়া নজর। বিশেষ করে হলুদগুঁড়োর মান, মেয়াদ এবং খাবারে ব্যবহৃত রঙ নির্দিষ্ট খাদ্যসুরক্ষা মান মেনে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে।ডেকার্স লেনের পর নজর ঘোরে জোড়াবাগান ও লেক মার্কেটে। দোকান, রান্নাঘর, গুদাম—কোনও জায়গাই বাদ যায়নি। খাবার কী ভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, কী ধরনের মশলা ব্যবহার হচ্ছে, খাবারের মান কেমন—সবই খুঁটিয়ে দেখেন আধিকারিকরা।ক্রেতার প্রশ্ন একটাই—পাতে যাওয়ার আগেই কেন ধরা পড়ছে না? শহরের ব্যস্ত খাদ্যপথে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ খাবার খান। সেই খাবারের পিছনে যদি এমন ছত্রাক ধরা মিষ্টি, বাসি খাদ্য বা অনিয়ন্ত্রিত উপকরণের ছবি সামনে আসে, তা হলে শুধু দোকানদারের দায় নয়—খাদ্য নিরাপত্তার নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।স্বাদ নিয়ে আপস নয়, স্বাস্থ্য নিয়ে তো নয়ই। পুরসভার এই অভিযান অন্তত সেই বার্তাই স্পষ্ট করছে—‘নামী দোকান’ হোক বা রাস্তার খাবার, পচা-বাসি খাবার ধরা পড়লে ডাস্টবিনই শেষ ঠিকানা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

