AB Live News
আরজি করে লিফটে আটকে মৃত্যু এক ব্যক্তির
ফের শিরোনামে আরজি কর! ছেলেকে চিকিৎসা করাতে নিয়ে এসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ট্রমা কেয়ারের লিফটে আটকে পড়েন সস্ত্রীক অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় (৪০) নামে এক ব্যক্তি। এক ঘণ্টা আটকে থাকার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। শুক্রবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। দুর্ঘটনার সময় কোথায় ছিলেন লিফট অপারেটর, তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
জানা গিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তি দমদমের বাসিন্দা। তিনি বেসরকারি একটি সংস্থায় কাজ করতেন। ছেলের হাত ভেঙে যাওয়ায় তাঁকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের পাঁচতলার ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যাওয়ার সময় ঘটে অঘটন। শুক্রবার ভোরের দিকে কোনও কারণে তীব্র ঝাঁকুনিতে লিফট আটকে যায়। ওপরের দিকে ওঠার পরিবর্তে নিচে নেমে আসে লিফটটি। এভাবেই বেশ কিছুক্ষণ কেটে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভোরবেলা হওয়ায় সেখানে অত লোকের সমাগম ছিল না। ফলে লিফটের ভিতরেই আটকে পড়েন তাঁরা। খবর দেওয়া হয় টালা থানায়। বেশ কিছুক্ষণ পর লিফট খুলে তিনজনকে বের করা হয়। ততক্ষণে অবশ্য অচেতন হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। পরে তড়িঘড়ি চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। এক ঘণ্টা মতো সেখানে আটকে থাকার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি, মৃত্যু হয় তাঁর। তবে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান সুস্থই রয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হয়। পরিবারের পাশাপাশি বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আরও অনেক রোগীর পরিজনরা। তাঁদের সবার একই বক্তব্য, ট্রমা কেয়ারের মতো জরুরি জায়গায় এরকম ঘটল কীভাবে? তাছাড়া ওই বিভাগের লিফটে কোনও লিফটম্যান থাকে না, সেই নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অন্য রোগীর পরিবারের লোকজন ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, কোনও সময়ই লিফট অপারেটর থাকেন না। ফলে রোগীর পরিবারের সদস্যরা কার্যত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে হাসপাতালের লিফট ব্যবহার করেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

