AB Live News
ভরা বসন্তে দার্জিলিং-সিকিমে ভারী তুষারপাত, পর্যটক উচ্ছ্বাসে বিপর্যয়

ভরা বসন্তে আচমকা ভারী তুষারপাতে ঢেকে গিয়েছে দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু। মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন রাজ্যের সর্বোচ্চ এলাকায় বরফের চাদর নেমেছে। মানেভঞ্জন, ফালুটও সাদা হয়ে গিয়েছে। দার্জিলিং শহরে বৃষ্টি হলেও বরফ পড়েনি, কিন্তু পূর্ব সিকিমে তুষারপাত অব্যাহত। বরফে ঢাকা এলাকায় চিন সীমান্তে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নাথু-লা ও ছাঙ্গু উপত্যকা ভ্রমণে পর্যটক পাস ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সিকিম প্রশাসন।
ফেব্রুয়ারির শেষলগ্নে এই তুষারপাত চলতি বছরের প্রথম বড় মাপের ঘটনা। আবহবিদ গোপীনাথ রাহা সোমবারই জানিয়েছিলেন, দার্জিলিং ও সিকিম পাহাড়ের উঁচু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি-সহ তুষারপাতের সম্ভাবনা। কিছু জায়গায় শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার বিকেল থেকে আবহাওয়া বদলাতে শুরু করে। মঙ্গলবার সকালে হালকা বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি। দুপুরে সান্দাকফু-মানেভঞ্জনে ভারী তুষারপাত। টুংলুন, তুংলিং-সহ নিচু এলাকায় হালকা বৃষ্টি-তুষার।
তুষারপাতের খবর পেয়ে সকাল থেকেই পর্যটকরা সান্দাকফুর দিকে রওনা হয়েছিলেন। দুপুরের পর বরফ দেখে তাঁরা উচ্ছ্বসিত। গাছের পাতা, রাস্তা, ঘাস সব সাদা হয়ে গিয়েছে। উত্তর ও পূর্ব সিকিমের লাচুং, লাচেন, জিরো পয়েন্ট, গুরুদংমার হ্রদ, নাথু-লা, ছাঙ্গু উপত্যকায়ও ভারী তুষারপাত। নিরাপত্তার কথা ভেবে নাথু-লা ও ছাঙ্গু উপত্যকায় যান চলাচল ও পাস ইস্যু বন্ধ। রবিবার ছাঙ্গুতে ভারী তুষারপাতে শতাধিক গাড়ি আটকে পড়েছিল। সেনাবাহিনী গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৪৬ পর্যটক ও চালকদের উদ্ধার করে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবারও উঁচু এলাকায় অতিভারী তুষারপাত ও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। প্রশাসন ঝুঁকি নেয়নি। পর্যটকরা বলছেন, ভরা বসন্তে বরফ পেয়ে স্বপ্নপূরণ হয়েছে। কিন্তু সিকিমে বিপর্যয়। সান্দাকফুতে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। এই তুষারপাত পাহাড়ি পর্যটনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে, তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও বাড়িয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon Web Desk , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon Web Desk হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

