Khabor Ekhon
সত্যতা যাচাই করে তবেই খবর খবরের ভেতরের খবর
Breaking News

সীমান্ত থেকে শহরে সোনার স্রোত, ৩১৮ কেজির কারবারে ১১ গ্রেফতার

0 43,909

শ্রীতমা ব্যানার্জী ::সাধারণ কুরিয়ার পরিষেবার আড়ালেই কি চলছিল কোটি কোটি টাকার সোনা পাচার? তদন্তে উঠে আসা তথ্য অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশের একাধিক শহরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা একটি সংগঠিত সোনা পাচার চক্রের হদিশ পেল রাজস্ব গোয়েন্দা দফতর। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিদেশি সোনার বার। গ্রেফতার করা হয়েছে চক্রের এক মাস্টারমাইন্ড-সহ মোট ১১ জনকে।তদন্তকারীদের দাবি, গত নয় মাসে প্রায় ৩১৮ কেজি পাচার করা সোনা এই কুরিয়ার-নির্ভর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ওই সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা। রাজস্ব গোয়েন্দা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে বিদেশি সোনা দেশে ঢোকার পর তা ছোট ছোট কুরিয়ার চালানে ভাগ করে পাঠানো হত। কলকাতা ও গুয়াহাটি থেকে সেই চালান পৌঁছে যেত মুম্বই, দিল্লি এবং আমদাবাদের মতো শহরে। এরপর তা স্থানীয় বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। গোয়েন্দাদের অভিযানে একসঙ্গে তল্লাশি চলে কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি, আমদাবাদ এবং গুয়াহাটিতে। বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর জন্য বুক করা সন্দেহজনক কুরিয়ার চালান আটক করা হয়। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় প্রায় ৬.৬১ কেজি বিদেশি সোনা, যার মূল্য আনুমানিক ১০.৩৬ কোটি টাকা।তদন্তে আরও জানা যায়, এই চক্রে কাগজে-কলমে থাকা কিছু ‘কনসাইনি’ বা প্রাপকের কাছে সোনা লেনদেনের বৈধ নথি ছিল না। পাচারের সোনাকে ছোট ছোট চালানে ভাগ করে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে গন্তব্যে পাঠানোই ছিল চক্রটির অন্যতম কৌশল বলে দাবি তদন্তকারীদের। অভিযানের প্রথম ধাপে চালানের প্রাপক হিসেবে চিহ্নিত সাতজনকে আটক করা হয়। কলকাতায় কনসাইনার বা শিপারের সঙ্গে যুক্ত ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তদন্তের সূত্র ধরে মুম্বই থেকে ধরা হয় চক্রের এক মাস্টারমাইন্ডকেও। সব মিলিয়ে গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১। সবচেয়ে বড় চাঞ্চল্য তৈরি করেছে গত নয় মাসের হিসাব। প্রাথমিক নথিপত্র খতিয়ে দেখে গোয়েন্দাদের দাবি, এই সময়ের মধ্যেই প্রায় ৩১৮ কেজি সোনা, যার আনুমানিক মূল্য ৪৭৫ কোটি টাকা, একই কুরিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিবহণ ও সরবরাহ করা হয়েছে। একটি ছোট কুরিয়ার চালানের আড়ালে যে এত বড় সোনার কারবার চলতে পারে, তদন্তের এই তথ্য সামনে আসতেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। উদ্ধার হওয়া সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং গোটা নেটওয়ার্কের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, কোথা থেকে সোনা আসত এবং কোথায় কোথায় তা ছড়িয়ে দেওয়া হত, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্ত এখনও চলছে।

Note :- ক্রমাগত অন্যান্য আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

PostBodyBottom

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

E-Paper