Khabor Ekhon
সত্যতা যাচাই করে তবেই খবর খবরের ভেতরের খবর
Breaking News

বিদ্যুৎ নেই, জেনারেটরও বিকল! মোমবাতির আলোয় হাওড়া হাসপাতালে চিকিৎসা

0 4,426

শ্রীতমা ব্যানার্জী : হঠাৎ বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তার উপর বিকল জেনারেটর। ফলে শনিবার সন্ধ্যায় কার্যত অন্ধকারে ডুবে গেল হাওড়ার ঘুসুড়ির টিএল জয়সওয়াল হাসপাতাল। ব্যাহত হল হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসা পরিষেবা। জরুরি বিভাগ-সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে আলো না থাকায় সমস্যায় পড়েন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে রোগী ও তাঁদের পরিজনেরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত মোমবাতি এবং মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইটের আলোয় চিকিৎসা পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন হাসপাতালের কর্মীরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ আচমকাই লোডশেডিং শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে হাসপাতালের বিভিন্ন অংশ অন্ধকার হয়ে যায়। এমনকি লিফ্‌টও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে একদিকে যেমন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিচালনায় সমস্যা তৈরি হয়, অন্য দিকে রোগী এবং তাঁদের আত্মীয়দের হাসপাতালের ভিতরে যাতায়াতেও অসুবিধা দেখা দেয়।অন্ধকারের মধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। মোমবাতি এবং মোবাইলের টর্চের আলো ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় পরিষেবা চালু রাখার চেষ্টা করা হয়। রোগীর পরিজনদের একাংশের অভিযোগ, হাসপাতাল চত্বর অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় যাতায়াত করতে গিয়ে হোঁচট খাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। তাঁদের প্রশ্ন, জরুরি পরিষেবা দেওয়া একটি হাসপাতালে বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা কেন প্রস্তুত থাকবে না? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, জেনারেটরের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু ওই সময় সেটিও বিকল হয়ে পড়েছিল। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ে রোগীর আত্মীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কিশলয় দত্ত জানান, জেনারেটর খারাপ থাকার কারণেই পরিষেবা ব্যাহত হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনে একটি অতিরিক্ত জেনারেটর ভাড়া নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে হাসপাতালের বৈদ্যুতিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ অর্থ ব্যবহার করার কথা জানিয়েছেন তিনি।কিশলয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এসেছে। সেই অর্থের একটি অংশ হাসপাতালের বৈদ্যুতিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজেও ব্যবহার করা হবে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।ঘটনাটি ফের সামনে এনে দিল সরকারি হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবা-কেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং কার্যকর ব্যাক-আপ ব্যবস্থার গুরুত্ব। বিশেষ করে জরুরি বিভাগ ও রোগী পরিষেবা সচল রাখতে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, সেই প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।

Note :- ক্রমাগত অন্যান্য আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

PostBodyBottom

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

E-Paper