AB Live News
তিলোত্তমার সৎকারে চরম গাফিলতি, তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে
শিবনাথ দাস : তিলোত্তমা মৃত্যুর ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর এক শীর্ষ তদন্তকারী আধিকারিকের ভূমিকা নিয়ে চরম ক্ষোভ উগরে দিলেন তিলোত্তমার মা রত্না দেবনাথ। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, তদন্ত প্রক্রিয়ায় ভয়াবহ গাফিলতি ও উদাসীনতা দেখা গিয়েছে। মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তিনি কোনও অবস্থাতেই শান্ত হবেন না। তাঁর দাবি, তদন্তকারী আধিকারিক সীমা আহুজার গাফিলতি ও ভূমিকা খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করা অত্যন্ত প্রয়োজন। আইনি মারপ্যাঁচ বা আদালতের গভীর প্রক্রিয়া সাধারণ মানুষ হিসেবে তাঁর পক্ষে পুরোপুরি বোঝা সম্ভব না হলেও, তদন্তের গতিপ্রকৃতি ও পদ্ধতি যে অত্যন্ত হতাশাজনক, তা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন তিনি।তিলোত্তমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের এই দীর্ঘস্থায়ী লড়াই ও মায়ের গভীর বেদনাকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। তিনি জানান, আধিকারিক বিশেষের ওপর মন্তব্য না করলেও এ কথা অনস্বীকার্য যে, রত্না দেবনাথের দাবি সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত এবং বিচার না পাওয়া পর্যন্ত এই লড়াইয়ে পরিবারের পাশেই থাকবেন তিনি। অন্য দিকে, পুরো ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়ে তিলোত্তমার বিতর্কিত সৎকার সংক্রান্ত যাবতীয় মামলা রাজ্য পুলিশের হাত থেকে সরাসরি সিবিআই-এর হাতে অর্পণ করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ শুনানির সময় পুলিশের পেশ করা বিভিন্ন যুক্তির তীব্র সমালোচনা করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করার পরেও রাজ্য পুলিশ নিজের সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে। আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করার জন্য খড়দহ থানার তৎকালীন আধিকারিকদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতিরা। ডিভিশন বেঞ্চ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দেয়, সৎকারের তড়িঘড়ি পদক্ষেপে যে মারাত্মক অনিয়ম ও প্রমাণের ক্ষতি করার অভিযোগ উঠেছে, তার প্রতিটি দিক এখন থেকে খতিয়ে দেখবেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারাই।
বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

