Khabor Ekhon
সত্যতা যাচাই করে তবেই খবর খবরের ভেতরের খবর

বুকে তীব্র ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু

0 54,255

শিবনাথ দাস : আচমকা শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুকে। শুক্রবার গভীর রাতে আচমকাই তাঁর বুকে তীব্র যন্ত্রণা ও অস্বস্তি শুরু হয়। শারীরিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি লক্ষ্য করে পরিবারের সদস্যরা বিন্দুমাত্র ঝুঁকি না নিয়ে রাতেই তাঁকে কলকাতার ই এম বাইপাস সংলগ্ন একটি প্রথম সারির বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকদের তৎপরতায় দ্রুত তাঁকে জরুরি বিভাগে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তবে চিকিৎসকেরা এখনও তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখতে চান।পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দিনভর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন স্পিকার। জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একাধিক স্মরণসভা ও দলীয় অনুষ্ঠানে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সারাদিনের রাজনৈতিক ব্যস্ততা ও দৌড়ঝাঁপ শেষে গভীর রাতে যখন তিনি নিজের বাসভবনে ফিরে আসেন, তখনই হঠাৎ বুকে তীব্র চাপ ও অস্বস্তি অনুভব করতে শুরু করেন। কালবিলম্ব না করে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে দ্রুত বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে আসার কারণে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসার পর তিনি চিকিৎসায় ভাল সাড়া দিচ্ছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে এগোচ্ছেন।পেশাগত জীবনে অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট রথীন্দ্রনাথ বসু রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও অত্যন্ত পরিচিত এক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে সমাজসেবামূলক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে এসে বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সেই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিককে তেইশ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কথা বিবেচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে রাজ্য বিধানসভার স্পিকারের মতো সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁকে আসীন করা হয়। তাঁর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

Note :- ক্রমাগত অন্যান্য আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য :- এই খবর Khabor Ekhon , দ্বারা আপডেট করা হয়েছে. এই খবরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব Khabor Ekhon হবে। www.khaborekhon.in অথবা সম্পাদকমন্ডলীর কোন দায় থাকবে না।

PostBodyBottom

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

E-Paper